মঙ্গলবার, ১৬ জানুয়ারি, ২০১৮
অর্থকড়ি
সংকটে খুলনা অঞ্চলের পোল্ট্রি শিল্প
খুলনা ব্যুরো :
Published : Friday, 12 January, 2018 at 9:06 PM
সংকটে খুলনা অঞ্চলের পোল্ট্রি শিল্পব্যাংক ঋণ সুবিধা না থাকা, চাহিদার তুলনায় ডিম ও মাংস উৎপাদন বেশী, ভোক্তা কম ও রফতানির ব্যবস্থা না থাকাসহ নানা কারণে খুলনা বিভাগের প্রায় ২২ হাজার মুরগীর খামার হুমকির মুখে রয়েছে। এতে ১৯ হাজার ৫শ’ কোটি টাকার ক্ষতির আশংকা করছেন খামারীরা। অনেক খামারি দেনার দায়ে পালিয়ে বেড়াছেন। অনেকের পথে বসার উপক্রম হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, খুলনা বিভাগে ২১ হাজার ৭৯৬টি খামার রয়েছে। এর  মধ্যে খুলনায় চার হাজার ৯৫২টি, বাগেরহাট দুই হাজার ৫৫০টি, সাতক্ষীরা চার হাজার ১৫০টি, নড়াইল এক হাজার ৭৮০টি, যশোর ছয় হাজার ৬২৭টি, দুই হাজার ৬২৭টি, ঝিনেদা তিন হাজার, ৯৫২টি, কুৃষ্টিয়া চার হাজার ৫৭টি, মেহেরপুর এক হাজার ৮, ৯৬টি ও  চুয়াডাঙ্গায় দুই হাজার ৮৮৫টি খামার রয়েছে। প্রতিটি খামারে পাঁচজন করে শ্রমিক, কর্মচারী ও মালিক জড়িত থাকলে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে এক লাখ ৮হাজার ৮৪৫ জন লোক জড়িত রয়েছে। খামারগুলোতে প্রায় ১০ কোটি ৮ লাখ ৮৪ হাজার ৫শ’ টি মুরগী রয়েছে। বিনোয়োগ কৃত ১৯হাজার ৫শ’ কোটি টাকা ক্ষতির আশংকা করছেন। এ শিল্প বন্ধ হয়ে গেলে বিশাল এ জনগোষ্ঠির উপর প্রভাব পড়বে। সূত্র জানায়, এভিয়েন ইনফ্লুয়েঞ্জ ভাইরাস বার্ড ফুতে মুরগী নিধনে ধংস প্রাপ্ত পোল্ট্রি শিল্প’র সাহসী খামারীরা অল্প দিনে ঘুরে দাড়িয়েছে। সরকারি বিদ্যামান নীতিমালা বাস্তবায়নে অনীহার কারণে একদিনের লেয়ার বাচ্চা ১৬-১৮ টাকা ও ব্রয়লার ১৪-১৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
প্রতিটি ডিম উৎপাদন খরচ পড়ে ৬ টাকা ৪০ পয়সা। খামারি পাইকারী বাজারে বিক্রি করছেন ৫ টাকায়। বাজারে খুচরা বিক্রি ৬-৭ টাকায়। প্রতিকেজি ব্রয়লার মাংস উৎপাদন খরচ হয় একশ’ টাকা। খামারী বিক্রি করছে ৮৫-৯০ টাকায়। বাজারে খুচরা বিক্রি হচ্ছে ১১০-১২০টাকায়। কক প্রতিকেজি উৎপাদন খরচ ১৪৫-১৫০ টাকা। খামারী লোকসান দিয়ে বিক্রি করছে ১৩০-১৩৫ টাকায়। খামারী লোকসান দিয়ে বিক্রি করছেন।
খুলনা বিভাগে প্রতিদিন ডিমের চাহিদা রয়েছে ৯০ লাখ। উৎপাদন হচ্ছে এক কোটি ২০ লাখ ডিম। ব্রয়লার মাংস’র চাহিদা দুইশ’ মেট্রিক টন। উৎপাদন হচ্ছে ৩৫০ মেট্রিক টন। উৎপাদিত বাড়তি ডিম ও মাংস বাইরের জেলায় পাঠানো যাচ্ছেনা। কারণ হিসেবে জানা গেছে বাইরের জেলাতেও পোট্রি ফার্ম গড়ে উঠছে। ফলে সেখানেও ভোক্তা কম। দেশের বাইরে রফতানি ও ভোক্তা বৃদ্ধির প্রয়োজন।
পোল্ট্রি ফিস ফিড শিল্প মালিক সমিতির বিভাগীয় সমন্বয়কারী এস এম সোহরাব হোসেন বলেন, পোল্ট্রি ও ডেয়ারী শিল্পের আর্থিক উন্নয়নে একটি সরকারি ও বেসরকারি ব্যাংক স্থাপন করতে হবে। ব্যাংক ঋন সুবিধা দিতে হবে। খামারীদের বাঁচাতে সরকারকে এগিয়ে আসছে হবে। জনগণ বোতলজাত পানি কিনে খায় অথচ দুধ কিনে খেতে আগ্রহী কম। দুগ্ধ ও ছাগলের খামার উন্নয়নে এগিয়ে আসা প্রয়োজন।




সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : gramerka@gmail.com, editor@gramerkagoj.com
Design and Developed by i2soft