শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮
আক্কেল চাচার চিঠি (আঞ্চলিক ভাষায় লেখা)
বাড়ির ১২ জনের সবাই মাদক ব্যবসায়ী! আলাম কনে !
Published : Saturday, 20 January, 2018 at 1:14 AM
বাড়ির ১২ জনের সবাই মাদক ব্যবসায়ী! আলাম কনে !পিপারে পড়লাম চুয়োডাঙ্গা জিলার আলমডাঙ্গা উপজিলার একই পরিবারের বর বউ, ছাবাল মাইয়ে,জামোই,বিটার বৌসহ ১২ জনের সবাই মাদক ব্যবসায়ী। বাড়ির বউ এই ব্যবসায়ী পরিবারের নিতা। স্বামী, চার মাইয়ে, চার জামোই,ছাবাল আর ছাবালের বৌ মিলে ১২ জনের টিম। ১৫ বচর ধইরে বাবাসহ মাদকের কারবারে ইরাই নাই আলমডাঙ্গায় চ্যম্পিয়ান দল। আলমডাঙ্গার রেললাইনের পাশে যারা এক সুমায় ঝুপড়ি ঘরে থাইকতো মাদক ব্যবসা কইরে তারাই একন কোটিপতি। চুয়োডাঙ্গা জিলার পেত্তেক গিরামে গিরামে চলতেচে বাবাসহ মাদক ব্যবসা। এমন কোন গিরাম বা এলেকা নেই য্যানে মাদক নেই। অনেক ছোট ছোট ব্যবসায়ী বেশি লাভের আশায় অন্য ব্যবসা ছাইড়ে মাদক ব্যবসায় জড়ায় পড়তেচে। অনেক বেকার ছেলেপিলে চাকরির চিষ্টা না কইরে বাবাসহ মাদক ব্যবসা কত্তেচে আবার তারাই তাতে আসক্ত হচ্চে। এই তালিকায় ইস্কুল কলেজ পড়ুয়া ছাত্তর ছাত্তীরও রয়েচে। সীমান্তবত্তী এলেকা হওয়ায় পাশ্ববত্তী দেশেত্তে নানান ধরনের মাদক সহজেই আসতেচে চুয়োডাঙ্গায়। তার মদ্দি নাই খুলনাত্তে আসে বাবা। অন্য ব্যবসার চাইতি যেহেতু মাদক ব্যবসায় লাভ বেশি, তাই পুরো  এলেকার তরুণ তরুণীরা এ ব্যবসায় জড়ায় পড়তেচে। মানসি কচ্চে ইরাম চলতি থাকলি ঘরে ঘরে মাদকাসক্ত হয়ে যাবে। চুয়োডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজিলায় একই পরিবারের স্বামী-স্ত্রী, ছেলেমেয়েসহ ১২ জনের সবাই মাদক ব্যবসায়ী। একদম ছিন্নমূল থাইকে কোটি টাকার মালিক বইনে যাওয়া এই নারী মাদক ব্যবসায়ীর আলমডাঙ্গা টাউনি রয়েচে তিনডে বাড়ি। ব্যাংকে রইয়েচে বিপুল পরিমাণ টাকা। এক শ্রেণির পুলিশ কম্মকত্তা ও স্তানীয় রাজনিতিক নিতাকর্মীগের তারা নিয়মিত সুম্মানী দিয়ে চাপনিতি ব্যবসা চালায় যাচ্চে। ঐ নারী মাদক ব্যবসায়ী গেরেপ্তার হলিও তারে আটকায় রাকা যায় না। জামিন নিয়ে বারোয় আইসে আবার নতুন করে ব্যবসা ইস্টাট দেয়। মাদক ব্যবসা কইরে কোটি কোটি টাকার মালিক। এলেকাবাসীর অভিযোগ, মাদকের ছোট ছোট আখড়ায় মাদক সেবন ও বিক্রি হয়। সেসবের অধিকাংশ এক  শ্রেণীর পুলিশ কম্মকত্তা আর স্তানীয় রাজনিতিক নিতাকরমীরা পরিচালনা করে। তবে এলোকবাসী এট্টা ভাল খবর দেচে,রাজনীতি নিয়ে রাজনীতিবিদগের মদ্দি মতের পার্থক্য আর কাইজে গন্ডগোল থাকলিও মাদক ব্যবসা নিয়ে তারা সবাই রসুনির কুয়ার মতো এক জাগায়। ধান্দার বেলায় তাগের কোন মত পারথক্ক নেই। এলেকা নিজিরে নিজিরে ভাগ বাটোয়ারা কইরে নেচে। যে লাইনি ব্যবসা সেই লাইনম্যানগের একাউনি অটো টাকা পৌচোয় যায়। সভা সমাবেশে সবাই মাদক নিয়ে নানান কতা কয় কিন্তুক বিলের গলায় কেউ ঘন্টা বান্দে না। কোমরের ছুরিতি যেদিন কোমর কাটপে সেদিন বোজবে কি ক্ষেতি হইয়ে গেচে।

অভাগা আক্কেল চাচা, মোবাইল নং-০১৭২৮-৮৭১০০৩ ই-মেইল : cacaakkel@gmail.com

শব্দার্থ : ছাবাল=ছেলে,বাবা=ইয়াবা,য্যানে=যেখানে,কচ্চে=বলছে,টাউনি=শহরে,চাপনিতি=গোপনে,
কম্মকত্তা=কর্মকর্তা,স্তানীয়=স্থানীয়,দেচে=দিয়েছে, রসুনির কুয়া= রসুনের কোয়া




সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : gramerka@gmail.com, editor@gramerkagoj.com
Design and Developed by i2soft