বৃহস্পতিবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০১৯
জাতীয়
খোশ আমদেদ মাহে রমজান
মাওলানা মুহাদ্দিস শাফিউর রহমান :
Published : Monday, 3 June, 2019 at 6:16 AM

খোশ আমদেদ মাহে রমজানমানব জাতির জন্য এই রামাযান মাসে এমন একটি গ্রন্থ পাঠিয়েছেন যা গোটা মানব জাতিকে তার জীবনের গোটা দিক ও বিভাগের পথের দিশা দেবে। মানবজাতিকে ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক, রাষ্ট্রীয়, আন্তর্জাতিক, অর্থনৈতিক সব দিক-নির্দেশনা দেয়ার গ্যারান্টি প্রদান করেছে আল-কুরআন। এই আল-কুরআনকে রাসূলুলাহ (সা)-এর নিকট হযরত জিবরাঈল (আ) এর মাধ্যমে দীর্ঘ ২৩ বছর সময়কালে  নাযিল করা হয়েছে। এর মধ্যে রাসূলুলাহর মাক্কী জীবন ও মাদানী জীবন সংশ্লিষ্ট। আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত রাসূল ইরশাদ করেন, “প্রত্যেক নবীকেÑ তাঁর উপর যে পরিমাণ লোক ঈমান এনেছে সেই পরিমাণ ওহী এসেছেÑ তাতে আমি আশা করতে পারি যে কেয়ামতের দিন আমার অনুসারী সর্বাধিক হবে।” এই হাদীসে কুরআনের শ্রেষ্ঠতম মর্যাদার প্রতি ইঙ্গিত দান করা হয়েছে। অন্যান্য নবীর কাছে যত ওহী বা কিতাব নাযিল হয়েছে, কুরআন তা থেকে সব দিক দিয়ে শ্রেষ্ঠ। এবং কুরআনের মু‘জিযা সকল গ্রন্থের মু‘জিযাকে ডিঙ্গিয়ে গিয়েছে। সব নবীকেই কোন না কোন মু‘জিযা দেয়া হয়েছে। সেই সব আম্বিয়া কেরামের ইন্তেকালের পর তাঁদের মু‘জিযা শেষ হয়ে গেছে। সেই সব আজ নিছক দৃষ্টান্ত-কাহিনী হিসেবে বিদ্যমান। পক্ষান্তরে সর্বশেষ রাসূল মুহাম্মদ (সা) কে আল্লাহ তাআলা ওহীর মাধ্যমে যে বিরাট ও মহান কিতাব দান করেছেন তা আজও অক্ষুণœ আছে। আমাদের মনে রাখতে হবে রাসুল (স:) এর সেই বাণী , রাসুল (স:) এরশাদ করেন, রমজান মাসে আমার উম্মতের মর্যাদার জন্য আল্লাহ তায়ালা পাঁচটি জিনিস দান করেছেন,যা আর কোন রাসুলের উম্মতকে দান করা হয়নি আর তা হলো,রোজাদারের মুখের ঘ্রাণ আল্লাহর কাছে মিশকের বা মৃগনাভী থেকেও খুশবদার। হযরত আবু হুরাইরা (রা:) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসুলুলাহ (স:) এরশাদ করেন, রাজাদারদের জন্য সমুদ্রের মৎস সমুহ আল্লাহর কাছে ইফতারীর সময় পর্যন্ত দোয়া করতে থাকে। প্রতিদিন আল্লাহ তায়ালা রোজাদারের জন্য জান্নাতকে সুশোভিত করতে থাকে এবং জান্নাতকে বলতে থাকে তোমার মধ্যে আমার এক নেক বান্দাহ খুব শীঘ্র আাসছে।মাহে রমজানে আল্লাহ পাক শয়তানকে বন্দী করে রাখে আর সে কারণে শয়তান অন্য মাসের মত এত বেশী পরিমানে গোনার কাজ করতে পারে না। আর রমজানে রোজাদারের সবচেয়ে বড় নেয়ামত হলো আল্লাহ পাক মাহে রমজানের শেষ রাতে রোজাদারের সকল গোনাহ মাফ করে থাকেন। এ শুনে সাহাবীরা আরজ করলেন, ইয়া রাসুলুলাহ! এ রাতকি শুধু লাইলাতুল ক্বদরের ? উত্তরে তিনি বলেন, না বরং নিয়ম হলো কাজ শেষ হলেই মুজরকে পারিশ্রমিক প্রদান করা। মানবজাতিকে ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক, রাষ্ট্রীয়, আন্তর্জাতিক, অর্থনৈতিক সব দিক-নির্দেশনা দেয়ার গ্যারান্টি প্রদান করেছে আল-কুরআন। এই আল-কুরআনকে রাসূলুলাহ (সা)-এর নিকট হযরত জিবরাঈল (আ) এর মাধ্যমে দীর্ঘ ২৩ বছর সময়কালে  নাযিল করা হয়েছে। এর মধ্যে রাসূলুলাহর মাক্কী জীবন ও মাদানী জীবন সংশ্লিষ্ট। আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত রাসূল ইরশাদ করেন, “প্রত্যেক নবীকেÑ তাঁর উপর যে পরিমাণ লোক ঈমান এনেছে সেই পরিমাণ ওহী এসেছেÑ তাতে আমি আশা করতে পারি যে কেয়ামতের দিন আমার অনুসারী সর্বাধিক হবে।” এই হাদীসে কুরআনের শ্রেষ্ঠতম মর্যাদার প্রতি ইঙ্গিত দান করা হয়েছে। অন্যান্য নবীর কাছে যত ওহী বা কিতাব নাযিল হয়েছে, কুরআন তা থেকে সব দিক দিয়ে শ্রেষ্ঠ। এবং কুরআনের মু‘জিযা সকল গ্রন্থের মু‘জিযাকে ডিঙ্গিয়ে গিয়েছে। সব নবীকেই কোন না কোন মু‘জিযা দেয়া হয়েছে। সেই সব আম্বিয়া কেরামের ইন্তেকালের পর তাঁদের মু‘জিযা শেষ হয়ে গেছে। সেই সব আজ নিছক দৃষ্টান্ত-কাহিনী হিসেবে বিদ্যমান। পক্ষান্তরে সর্বশেষ রাসূল মুহাম্মদ (সা) কে আল্লাহ তাআলা ওহীর মাধ্যমে যে বিরাট ও মহান কিতাব দান করেছেন তা আজও অক্ষুণœ আছে। কিন্তু আমরা লক্ষ্য করে থাকি যে আমাদের জীবনের নানা প্রকার স্বার্থ সংঘাতের মুখোমুখী হয়ে অনেকেই আল্লাহর সীমারেখা মেনে চলে তাকওয়ার গুণ অর্জন করার পর্যায় পর্যন্ত পৌঁছাতে পারিনা, ফলে অন্য একটি মাসের মতই আমরা রামাযানকেও পার করে দেই। আমরা রোযা রাখি, ইফতার করি, তারাবীর নামাযও পড়ি, অনেকে হয়ত কুরআন তেলাওয়াত করি, দান খয়রাত করি। কিন্তু অপর দিকে সুদী কারবার করি, ঘুষ খাই, মজুতদারী, মুনাফাখোরী, কালোবাজারী করি, মিথ্যা কথা বলি, চোগলখুরী করি, গীবত গাই।  এ বিপরীতমুখী জিনিষ একত্র চলতে পারে না। হয় আমরা পুরাপুরি তাকওয়ার গুণ অর্জন করার জন্য আমাদের যাবতীয় অসৎ গুণাবলী পরিহার করে সৎ গুণাবলী অর্জনের চেষ্টা করব না হয় আমরা শুধু শুধু সারাদিন না খেয়ে থেকে আমাদের দিনটি বরবাদ করব না। রাসূলুলাহ (সা) সে কথাই আমাদেরকে হেদায়েতে করেছেন। যে ব্যক্তি রোযা থেকে মিথ্যা কথা বলা, কিংবা অসৎ কার্যাবলী পরিত্যাগ করলনা তার শুধু শুধু না খেয়ে রোযা রাখার কোন প্রয়োজন নেই। 



সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : gramerka@gmail.com, editor@gramerkagoj.com
Design and Developed by i2soft