শনিবার, ৩০ মে, ২০২০
ওপার বাংলা
পশ্চিমবঙ্গে সোনার বিস্কুটের লোভে ডাকাতি, ৩ বাংলাদেশি গ্রেফতার
কাগজ ডেস্ক :
Published : Wednesday, 21 August, 2019 at 8:53 PM
পশ্চিমবঙ্গে সোনার বিস্কুটের লোভে ডাকাতি, ৩ বাংলাদেশি গ্রেফতারঘরে সোনার বিস্কুট আছে- এমন খবর পেয়ে পুলিশের পোশাক পরে বাড়িতে হানা দেয় একদল ডাকাত। কিন্তু আশা পণ্ড হলো তাদের।বাড়ির মালিক বোঝানোর চেষ্টা করেন তার কাছে এমন কিছু নেই। পরে ওই বাড়ির ঠাকুর ঘরে প্রবেশ করে ঠাকুরের গায়ে থাকা গহনা, নগদ অর্থসহ বেশ কিছু জিনিস নিয়ে পালায় তারা। এ ঘটনায় ধরা পড়েছেন অনেকেই। এর মধ্যে রয়েছেন তিন বাংলাদেশি।
ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে। আর এই ঘটনায় সোমবার তিন বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেফতার করা হয়েছে। মঙ্গলবার তাদের স্থানীয় আদালতে তোলার পর পুলিশ রিমান্ডের নির্দেশ দেন আদালত।
জানা যায়, ডাকাতরা সংখ্যা প্রায় দশ থেকে বারো জন ছিল। এর মধ্যে একটি দল নিজেদেরকে পুলিশ সদস্য বলে পরিচয় দিয়ে ওই বাড়িতে ঢুকে পড়ে। বাকিরা বাড়ির বাইরে অবস্থান করে নজরদারির কাজ করে। ডাকাতদলের কাছে খবর ছিল বৈদ্যুতিক সরঞ্জামের ব্যবসায়ী অরূপ দত্তের কাছে সোনার বিস্কুট রয়েছে। আর সেই লোভেই ওই রাতে তার বাড়িতে হানা দেয় তারা। যদিও বাড়ির মালিক বোঝানোর চেষ্টা করেন তার কাছে এমন কিছু নেই। যদিও তারা ওই বাড়ির ঠাকুর ঘরে প্রবেশ করে ঠাকুরের গায়ে থাকা গহনা, নগদ অর্থসহ বেশ কিছু জিনিস নিয়ে তারা পালায়। ডাকাতি করে পালানোর সময় রবিবার রাতেই স্থানীয় বাসিন্দারা দিপু শর্মা নামে এক দুর্বৃত্তকে ধরে ফেলেন। এরপর শুরু হয় গণপিটুনি। পরে দিপুকে তুলে দেওয়া হয় বারুইপুর জেলা পুলিশের হাতে। তাকে জেরা করেই এই ঘটনায় তিন সন্দেহভাজন বাংলাদেশিকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তারা হল রেজাবুল শেখ, মামন শেখ ও সবুজ শেখ। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় পুলিশের পোশাক, ছুরি, ৩ রাউন্ড গুলি, গহনা ও কয়েক হাজার রুপি। এদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ জানতে পেরেছে ডাকাতদলের মূল চক্র হল বাংলাদেশের কুখ্যাত অপরাধী রেজাউল শেখ। এর আগেও কলকাতার একটি জায়গায় ডাকাতির সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। ওই ঘটনায় সাত বছরের কারাগারের সাজাও ভোগ করতে হয় তাকে।
গ্রেফতার হওয়া চারজনের বিরুদ্ধে ডাকাতি ও অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বাকীদের খোঁজে চলছে তল্লাশি।
জেলা পুলিশ সুপার রশিদ মুনির খান জানান, ‘আমাদের হেফাজতে থাকাকালীন সময়ে সন্দেহভাজন চারজনেরই টেস্ট আইডেন্টিফিকেশন (টিআই) প্যারেড করানো হয়েছে। তাদেরকে হেফাজতে নিয়ে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।




সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : gramerka@gmail.com, editor@gramerkagoj.com
Design and Developed by i2soft