রবিবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
আন্তর্জাতিক সংবাদ
চীনের বিরুদ্ধে ফের কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের
আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
Published : Wednesday, 4 September, 2019 at 9:40 PM
চীনের বিরুদ্ধে ফের কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের হুঁশিয়ারি ট্রাম্পেরচলমান চীন-মার্কিন বাণিজ্য যুদ্ধের অংশ হিসেবে এবার এশিয়ার পরাশক্তি চীনের বিরুদ্ধে আরও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার (৩ সেপ্টেম্বর) এক টুইট বার্তায় এমন হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন তিনি।
টুইটার পোস্টে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, 'চীনা প্রশাসনের সঙ্গে চলমান আলোচনায় আমাদের খুব ভালো অগ্রগতি হয়েছে। যদিও আমি নিশ্চিত যে, তারা একটি নতুন প্রশাসনের সঙ্গে কাজ করতে পছন্দ করবে। যার মাধ্যমে দেশটি আমাদের সঙ্গে প্রতারণা বা চৌর্যবৃত্তির অনুশীলন চালিয়ে যেতে পারে।'
তিনি আরও বলেন, 'যদিও ২০২০ সালের নির্বাচনে আমি ফের মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হলে চীনের ঠিক কী হবে! তখন ওয়াশিংটনের সঙ্গে বেইজিং মধ্যকার বাণিজ্য চুক্তি আরও কঠিন হয়ে পড়বে। মূলত সেই সময়ের মধ্যে তাদের সরবরাহকৃত চেইন ভেঙে পড়বে। তাছাড়া নিজেদের ব্যবসা, চাকরি ও অর্থ হারিয়ে এক বিরাট সঙ্কটে পরবে চীনারা।'
বিশ্লেষকদের মতে, চীনকে এর আগে বেশ কয়েকবার 'চোর' বলে আখ্যায়িত করেছিলেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যে কারণে মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলোকে দেশটির বিকল্প খোঁজার পরামর্শও দিয়েছিলেন তিনি। এর আগে গত আগস্টের শেষদিকে নিজের এক টুইটার পোস্টে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছিলেন, 'বহু বছর যাবত চীন আমাদের ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন ডলারের আর্থিক ক্ষতি করে আসছে। দেশটি বছরে আমাদের কয়েকশ বিলিয়ন ডলারের বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে। যা তারা আগামীতেও অব্যাহত রাখতে চায়। যদিও আমি কখনোই এটা হতে দিতে পারি না।'
চীনকে আমাদের প্রয়োজন নেই উল্লেখ করে ট্রাম্প আরও বলেছেন, 'সত্যি বলতে তাদের ছাড়াই আমরা অনেক ভালো থাকতে পারি। বছরের পর বছর যাবত যুগের পর যুগ তারা যুক্তরাষ্ট্র থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ উপার্জন ও চুরি করে নিয়ে গেছে। অবশ্যই তাদের এখন এটা বন্ধ করতে হবে।'
আমেরিকাকে মহান দাবি করে টুইট বার্তায় প্রেসিডেন্ট বলেছিলেন, 'মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলোকে তাৎক্ষণিকভাবে চীনের বিকল্প খুঁজতে হবে। যার মধ্যে আপনাদের প্রতিষ্ঠানগুলোর নিজ দেশে ফিরে আসা এবং পণ্যসামগ্রী যুক্তরাষ্ট্রে উৎপাদনের বিষয়ে মনোনিবেশের দিকটিও আছে।'
এর আগে এশিয়ার পরাশক্তি খ্যাত চীনের সঙ্গে বিপুল বাণিজ্য ঘাটতি কমিয়ে আনার লক্ষ্যে গত বছর থেকে বেইজিংয়ের রপ্তানিকৃত বিভিন্ন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ শুরু করে মার্কিন ট্রাম্প প্রশাসন। 'মেক আমেরিকা গ্রেট অ্যাগেইন' এবং 'আমেরিকা ফার্স্ট' নামে কথিত সংরক্ষণশীল নীতির ঘোষণা দিয়ে ক্ষমতায় আসা ট্রাম্প প্রশাসনের এসব পদক্ষেপ গ্রহণ করে। যদিও পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে বেইজিংও মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৫ শতাংশ শুল্ক বসানোর ঘোষণা দেয়।
এসবের প্রেক্ষিতে পরবর্তীতে বাণিজ্য ইস্যুতে উত্তেজনা হ্রাসের জন্য চলতি বছর ওয়াশিংটন ও বেইজিং মধ্যকার বেশ কয়েক দফায় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সাম্প্রতিক টুইটগুলো এটাই বলে যে, দ্বিপাক্ষিক এই বৈঠকগুলো আদতে ঠিক কতটা ফলপ্রসূ হয়েছে তা একটি বিবেচনার বিষয়।



সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : gramerka@gmail.com, editor@gramerkagoj.com
Design and Developed by i2soft